ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে নতুন মূল্যায়ন মার্কিন বিশেষজ্ঞের

ইরানে সামরিক সাফল্য মিলছে, কৌশলগত লড়াইয়ে ট্রাম্পের নতুন চ্যালেঞ্জ

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করলেও কৌশলগতভাবে যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রবার্ট ম্যাগিনিস।

ফক্স নিউজে প্রকাশিত এক মতামতধর্মী নিবন্ধে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনী ইরানের সামরিক অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, ড্রোন ঘাঁটি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড সেন্টার এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। তবে সামরিক সাফল্য সব সময় রাজনৈতিক বা কৌশলগত বিজয় নিশ্চিত করে না।

ম্যাগিনিসের মতে, ইরান প্রত্যাশার তুলনায় বেশি স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে। দেশটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়া, মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার এবং বিকেন্দ্রীভূত সামরিক কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ওয়াশিংটন হয়তো ভেবেছিল শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করলে ইরানি শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু আদর্শিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এ ধরনের শাসনব্যবস্থাকে শুধু সামরিক হামলার মাধ্যমে পরাজিত করা কঠিন।

নিবন্ধে আরও বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সামরিক সাফল্যকে রাজনৈতিক ফলাফলে রূপ দেওয়া। লেখকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা, মার্কিন স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক নৌপথে হামলা ঠেকানো এবং একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মনোযোগ দিয়ে চীনের মতো দীর্ঘমেয়াদি প্রতিদ্বন্দ্বীকে উপেক্ষা না করা।

ম্যাগিনিসের ভাষায়, সামরিক বিজয় ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মূল্যায়ন হয় সেই বিজয় দেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে কতটা কার্যকর হয়েছে তার ওপর। সূত্র: ফক্স নিউজ

AS
আরও পড়ুন