ইসির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস-কারচুপির অভিযোগ, তদন্ত চাইলেন পরীক্ষার্থী

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪০ এএম

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত বা বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এক পরীক্ষার্থী।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে এসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। আবেদনে পরীক্ষার সিসিটিভি ফুটেজ, উপস্থিতি রেজিস্টার, ইনভিজিলেটর রিপোর্ট, কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবেদনকারী পরীক্ষার্থী আরাফাত রহমান দাবি করেন, তিনি গত ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। তার রোল নম্বর ৩০০১৩৯০২৮। তিনি অভিযোগ করেন, তার পরের রোল নম্বর ৩০০১৩৯০২৯-এর পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলেও প্রকাশিত ফলাফলে তাকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে।

লিখিত আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, পরীক্ষার আগে কিছু পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র, রোল নম্বর ও পরীক্ষাকেন্দ্রসংক্রান্ত তথ্য বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপে আর্থিক লেনদেনের আলোচনা, বিভিন্ন কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়া এবং কিছু কর্মকর্তা ও হল পরিদর্শকের সহযোগিতায় বিশেষ সুবিধা প্রদানের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।

আবেদনে দাবি করা হয়, চাকরিচ্যুত কয়েকজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এবং নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ বাণিজ্য ও পরীক্ষায় কারচুপির সঙ্গে জড়িত। অভিযোগে কয়েকজনের নাম এবং একাধিক রোল নম্বর উল্লেখ করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী।

Maz
আরও পড়ুন