জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সঙ্গে বায়তুল মোকাররমে পবিত্র কুরআন খতম, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা, তাদের পরিবারের শান্তি ও কল্যাণ এবং দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক  হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী। স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ। বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন যাকাত বিভাগের পরিচালক ড. হাফেজ মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান।

পবিত্র কুরআন খতম শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য, তাদের পরিবার-পরিজনের কল্যাণ এবং দেশের সার্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও শান্তি-শৃঙ্খলা অটুট রাখা, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও সহায়তা প্রার্থনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণের জন্য দেশবাসীর প্রতি দোয়া করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশ ও জাতির যেকোনো সংকটময় সময়ে আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, উপপরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইমাম-মুয়াজ্জিন, আলেম-ওলামা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন