ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক, সব ধরনের উপায় ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, ইরানি নেতারা অত্যন্ত কঠিন আলোচনাসঙ্গী। দ্বিতীয়ত, দেশটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো বিভক্ত।
তার ভাষায়, ইরানের ক্ষমতাকাঠামোর একাংশ যুদ্ধের অবসান চায়, আবার অন্য অংশের উগ্রপন্থীরা সংঘাত চালিয়ে যেতে আগ্রহী।
ভ্যান্স বলেন, 'আমাদের কাজ হলো এই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে এমন একটি ফল নিশ্চিত করা, যা মার্কিন জনগণ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।'
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সংঘাতের একটি সমাধান হবে, যদিও সেটি সহজ হবে না এবং সময় লাগবে। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে এবং তেলের দামও কমে স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে আসবে।
তিনি আরও বলেন, 'ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে।'
ভ্যান্সের ভাষায়, 'আমরা আমাদের হাতে থাকা সব উপায়, সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ব্যবহার করব, যাতে এই সংকটের সঠিক সমাধানে পৌঁছানো যায়।'
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বুধবার (৫ আগস্ট) বলেছেন, তিনি সামরিক অভিযানের পরিবর্তে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চান। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিকল্প এখনো খোলা রয়েছে।
গত ১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি কাঠামোগত সমঝোতা স্মারকে সই করে চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করলেও, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে হামলা চালানোর পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। জবাবে তেহরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার দাবি করে। সূত্র: আলজাজিরা
যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র-গোলাবারুদ পর্যাপ্ত: ট্রাম্প
ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে ট্রাম্প-হেগসেথের বিরোধের খবর ভুয়া: হোয়াইট হাউস
ইহুদিবিদ্বেষ বরদাশত নয় : কড়া সতর্কবার্তা ট্রাম্প প্রশাসনের