যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ইরান সামরিক ও রাজনৈতিক, উভয় দিক থেকেই ‘প্রকৃত বিজয়’ অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। একই সঙ্গে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারককে কূটনৈতিক অঙ্গনে ইরানের বিজয়ের দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএর বরাত দিয়ে ডন জানিয়েছে, গালিবাফের মতে, যুদ্ধের ফলাফল শুধু সামরিক সংঘর্ষের ময়দানে নয়, কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও ইরানের পক্ষে গেছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ইসলামাবাদে হওয়া সমঝোতাকে তিনি সেই সামরিক অবস্থানেরই কূটনৈতিক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। এর আগে গালিবাফ ইসলামাবাদ সমঝোতাকে ইরানের প্রতিরোধের অর্জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের ঘোষণা হিসেবেও বর্ণনা করেছিলেন।
তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, আঞ্চলিক মিত্রগোষ্ঠী এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে ব্যাপক দাবি তুলেছিল। পরবর্তী সময়ে আলোচনার কাঠামো ও লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে বলে ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করে আসছেন।
গালিবাফের সর্বশেষ মন্তব্যও ইরানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তেহরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধের ফলাফলকে নিজেদের প্রতিরোধ সক্ষমতার সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছেন।
তবে ইসলামাবাদ সমঝোতার বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি এবং ওয়াশিংটনকে আগের অন্তর্বর্তী সমঝোতার শর্তে ফিরতে হবে।
এ অবস্থায় গালিবাফের বক্তব্যে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি কূটনৈতিক ফলাফলকেও ইরানের বিজয়ের অংশ হিসেবে তুলে ধরার প্রবণতাই স্পষ্ট হয়েছে। সূত্র: ডন
আগ্রাসীদের পূর্ণ পরাজয় ছাড়া আপস করবে না ইরান
কুয়েতের বিরুদ্ধে আটক চার ইরানির পাইলটের তথ্য গোপনের অভিযোগ
'নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবুন', ট্রাম্পকে ইব্রাহিম আজিজি