জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে ব্যর্থ ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়া সরাসরি জড়িত- বার্লিনের এমন অভিযোগের পর মস্কোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটো।
ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং এই নতুন হুমকির উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার জার্মানি পুলিশি তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত করে যে, লাইপজিগ বিমানবন্দরে ইউক্রেনীয় কার্গো বিমান লক্ষ্য করে বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন হামলার পরিকল্পনা মস্কোই করেছিল। জার্মান সরকারের এই অভিযোগ ও নিষেধাজ্ঞার জবাবে রাশিয়া পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সেদেশে থাকা জার্মানির ‘গোয়েথে ইনস্টিটিউট’ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি জার্মানির ঐতিহাসিক শহর বনে অবস্থিত রুশ কনস্যুলেট ও একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন বলেন, লাইপজিগের ঘটনাটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাটিতে সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে রুশ এজেন্টদের পরিচালিত এক নতুন উত্তেজনা।
একই দিনে পোল্যান্ডের সামরিক ড্রোন তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ড এবং জার্মানির দুটি পাওয়ার স্টেশনে নাশকতার খবর পাওয়া গেছে, যার পেছনেও বিদেশি ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মস্কো সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও ইইউ ও ন্যাটো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ওপর কেবল অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা হবে না, তা আরও বাড়ানো হবে। ইউক্রেনকে সহায়তা চালু রাখার পাশাপাশি রাশিয়ার 'শ্যাডো ফ্লীট' (ছায়া জাহাজ বহর) ও রুশ নাগরিকদের ভিসার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আনার পরিকল্পনা করছে জোটটি।
সূত্র: বিবিসি
হরমুজে সৌদি তেলবাহী জাহাজে ইরানি হামলা, নিহত ২
গঙ্গা চুক্তি নবায়নে বিহারের উদ্বেগ বিবেচনা করবে ভারত