ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতে তুরস্কের এক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাংকাসি’ নামের প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণার সপ্তাহখানেকের মাথায় এ পদক্ষেপ এলো।
এর আগের সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সচল একটি মিসরীয় ব্যাংকের ওপরও একই ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করে ওয়াশিংটন। বার্তা সংস্থা এপির মতে, ইরানকে বিশ্ব বাণিজ্য থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার এ পরিকল্পনা কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাচ্ছে না। ফলে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি এখন মূলত সতর্কবার্তা ও কূটনৈতিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটনের একের পর এক অর্থনৈতিক অবরোধ সত্ত্বেও তেহরানকে পুরোপুরি কোণঠাসা করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন আবার সামরিক পদক্ষেপ ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের দ্বিমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। যার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইরানে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় নারী-সিসুসহ ১৮ জন নিহত হন।
ওই হামলায় শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে দেখার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবার পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একদিকে অর্থনৈতিক অবরোধ আর অন্যদিকে সামরিক হামলা— এই দ্বিমুখী নীতির শেষ পরিণতি কী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
তথ্যসূত্র: এপি
ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কিনা, জানে না ভারত