তিতাস ট্রেনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ, কাউন্টার বন্ধ

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে ঢুকে দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পৌর যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর টিকিট কাউন্টার বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

অভিযুক্ত নাজমুল হুদা সানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। আহত কর্মীদের অভিযোগ, তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশিপ নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন সানি। তবে ট্রেনটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া না দেওয়ায় তাঁর মধ্যে ক্ষোভ ছিল।

আহতদের ভাষ্য, সোমবার সকালে বুকিং ক্লার্ক কাউসারকে ফোন করেন সানি। তবে কাউসার ফোন না ধরায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি টিকিট কাউন্টারে আসেন। সেখানে কাউসারকে চড়-থাপ্পড় মারার একপর্যায়ে কাউন্টার ম্যানেজার সজীবকেও মারধর করা হয়। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্মীরা কাউন্টার বন্ধ করে দেন।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা সানি। তিনি বলেন, কাউন্টারের কর্মীরা নিয়মিত কালোবাজারিদের কাছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় টিকিট বিক্রি করেন বলে যাত্রীরা তাকে জানিয়েছেন। কাউন্টারে ৩০০ থেকে ৪০০ টিকিট থাকলেও যাত্রীদের কাছে মাত্র ১০০টি বিক্রি করে বাকিগুলো কালোবাজারিদের কাছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে তিনি কাউন্টারে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলেও কাউকে মারধর করেননি বলে দাবি করেন তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. সাকির জাহান বলেন, টিকিট বিক্রিরত অবস্থায় কাউন্টার ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারপিটের অভিযোগ শুনেছি। তবে ঘটনার পর কাউন্টার বন্ধ করে চলে যাওয়ায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

এম.সি.এইচ
আরও পড়ুন