দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (NNA) জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসরায়েলি বিমান থেকে তাল্লুসাহ এলাকায় হামলা চালানো হয়। একই সময়ে আল-কান্তারা এলাকার জিনজিল অঞ্চলেও দুটি পৃথক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যেই এসব আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।
এ ছাড়া নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকাতেও একটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে NNA-এর বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ইয়াতার ও বেইত লিফের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বাহিনী আলোকসজ্জার ফ্লেয়ার ছোড়ে বলেও জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ, মারজায়ুন, বিনত জবেইল ও টায়ার জেলায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও বিস্ফোরণের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও আশপাশের এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়। আল জাজিরা ও এএফপির প্রতিবেদনে সেদিন দক্ষিণ লেবাননে অন্তত চারজন নিহত ও ২০ জন আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ইসরায়েল এসব হামলাকে হিজবুল্লাহর হামলার জবাব হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা ও লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তৈরি হওয়া সমঝোতার পূর্ণ বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।
জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনী UNIFIL-এর ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে আলোচনা চলছে। আগামী ২০২৭ সালের শুরু থেকে বাহিনীটির প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে প্যারিসে ইউরোপীয় ও আরব দেশগুলোর সামরিক কর্মকর্তারা দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা ও UNIFIL-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকেও এই নির্দিষ্ট হামলাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
আইআরজিসির আর্থিক লেনদেনের তথ্য চায় যুক্তরাষ্ট্র, পুরস্কার ১৫ মিলিয়ন ডলার
ইরান ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্প এ পর্যন্ত কতবার দিলো?