জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিবহন সেবায় সিট দখল, নবীন শিক্ষার্থীদের আসন পেতে বাধা এবং হেনস্তার অভিযোগে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাসে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রেখে আগে থেকেই সিট দখল করাকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি এ ধরনের আচরণকে র্যাগিং হিসেবে বিবেচনার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারিক বিন আতিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একতলা ও দ্বিতল বাস এবং বিআরটিসি থেকে ভাড়ায় নেওয়া বাসে শিক্ষার্থীদের বসার সিটে খাতা, কলম, পানির বোতল, ব্যাগ, মানিব্যাগ কিংবা শিট রেখে সিট দখলের প্রবণতা সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাস কমিটির প্রভাব খাটিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের আসন পেতে বাধা দেওয়া ও তাদের হেনস্তার বিষয়টিও প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
প্রশাসনের ভাষ্য, এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল পরিবেশ, সাধারণ শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিপন্থী। কোনো শিক্ষার্থীর ওপর প্রভাব বিস্তার কিংবা সিট দখলের নামে অসম আচরণকে র্যাগিং হিসেবে গণ্য করা হবে। এসব কর্মকাণ্ড শৃঙ্খলাভঙ্গ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বাসের সিটে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রেখে আগে থেকেই আসন দখল করা যাবে না। জুনিয়র বা নবীন শিক্ষার্থীদের বসতে বাধা দেওয়া, বাস কমিটির প্রভাব খাটানো কিংবা কোনো ধরনের মানসিক বা শারীরিক হেনস্তাও নিষিদ্ধ। এসব ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সেবায় চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহনের ভেতরে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের দরজা খুলে দিতে হবে। চালক ও হেলপারদের এ নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি বাসে অবৈধ সিট দখল বা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তা প্রশাসনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী, চালক ও পরিবহন কর্মচারীদের জারি করা নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসিকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে
সাভারে অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে উচ্ছেদ অভিযান রাজউকের