ভৈরবে ভাঙন ঠেকাতে বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ পিএম

মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহর ও আশপাশের জনপদ রক্ষায় প্রায় ৩৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভৈরব শহরের কালিপুর এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেঘনার ভাঙনে ভৈরব শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফেরিঘাট থেকে মেন্দিপুর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৮৫ কোটি টাকা। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরিধি বাড়ানো হতে পারে।

তিনি বলেন, বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি মেঘনার সঙ্গে সংযুক্ত খাল-বিলের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় স্থানে সেতু নির্মাণ করা হবে। ফলে নতুন অবকাঠামোর কারণে নদী ও জলপথের স্বাভাবিক পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভৈরবের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

এর আগে সকালে ভৈরব উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় কমলপুর ডাকবাংলোয় ভৈরব ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রীড়া ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি। পরে ভৈরব বাজারের চান্দানী টিলার হরিজন পল্লিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নিম্নআয়ের মানুষের এলাকায় স্যানিটেশন, সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন।

বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদ ও সংসদ সদস্যের তহবিল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানগুলোতে কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সি আমির ফয়সাল, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল হক এবং ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এম.সি. এইচ
আরও পড়ুন