জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রতিবছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মেধাবীদের সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফলের জন্য উৎসাহিত করবে। বড় স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি তা বাস্তবায়নে মনোযোগ ও কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জন নয়, জ্ঞান, দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইল একসময় শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত সরকারের সময়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সংকটে পড়েছিল। বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদের দক্ষতা ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

অনুষ্ঠানে ১১ দলের লং মার্চ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি পালনের অধিকার রয়েছে। কর্মসূচির যৌক্তিকতা সম্পর্কে জনগণই মূল্যায়ন করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় তেল-গ্যাস খাত নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ খাত সংকটে পড়েছিল বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। বর্তমান সরকার পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রিজুয়ান সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. জোবায়দুর রহমান জনি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে ৮৫০ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কলেজ ব্যাগ, চাবির রিংসহ বিভিন্ন উপহারসামগ্রীও দেওয়া হয়।

এম.সি. এইচ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত