শিশুর আঙুল কেটে দেওয়ার মামলায় পুলিশ কনস্টেবল ও স্ত্রী কারাগারে

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম

নাটোর শহরের বড় হরিশপুরে বাড়ির মালিকের সাড়ে আট বছর বয়সী শিশুর ডান হাতের আঙুল ধারালো বটি দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শাকিল হোসেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, বড় হরিশপুরের চেয়ারম্যান রোড এলাকায় ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের বাড়িতে স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন কনস্টেবল শাকিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বাড়ির মালিকের শিশু সন্তান বায়েজিদ বিন মাহমুদের সঙ্গে শাকিলের চার-পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের খেলাধুলা নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, এর পরদিন বৃহস্পতিবার শাকিল শিশুটিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে শাকিল ও তাঁর স্ত্রী নাছরিন মিলে ধারালো বটি দিয়ে শিশুটির ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় শাকিল হোসেন ও নাছরিনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড় হরিশপুর চেয়ারম্যান রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমসিএইচ
আরও পড়ুন