জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল) সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও প্রায় দ্বিগুণ দামে গ্যাসের মূল্য পরিশোধ করেও প্রয়োজনীয় চাপের গ্যাস পাচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সার কারখানার জিএম (অপারেশন) ফজলুল হক।
প্রায় আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর চলতি মাসে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে কমে গেছে গ্যাসের চাপ। ফলে উৎপাদনে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েও চালু করা যাচ্ছে না কারখানাটি।
দেশে গ্যাস-সংকটের কারণে প্রায় আড়াই বছর ধরে বন্ধ ছিল জামালপুরের তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর চলতি মাসে কারখানাটিতে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু করে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। গ্যাস সরবরাহ পেয়ে উৎপাদনে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এক সপ্তাহ না পেরোতেই প্রয়োজনীয় মাত্রার তুলনায় কমে যায় গ্যাসের চাপ। ফলে গ্যাস সরবরাহ থাকলেও প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় উৎপাদনে যেতে পারছে না দেশের অন্যতম বৃহৎ এই সার কারখানা।
যমুনা সার কারখানার জিএম (অপারেশন) ফজলুল হক জানান, কারখানার নিয়মিত উৎপাদন ধরে রাখতে প্রতিদিন ৪২ থেকে ৪৩ এমএমসিএফ গ্যাস প্রয়োজন হয়। কিন্তু গ্যাসের চাপস্বল্পতার কারণে আমরা উৎপাদনে যেতে পারছি না। গ্যাসের চাপস্বল্পতার সমস্যা কেটে গেলে যেকোনো সময় উৎপাদনে যেতে পারবো। কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, উৎপাদন শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি রয়েছে। এখন প্রয়োজন শুধু নির্ধারিত চাপ অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ।
দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর কারখানাটি উৎপাদনে ফিরলে দেশের সার সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে আশা করা হয়েছিল। তবে গ্যাসের চাপস্বল্পতায় সেই অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
হস্তান্তরের আগেই খসে পড়ছে বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তরা
রামেসু বাজারে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি