'সীমান্তজুড়ে এলিট ইউনিট , ইরানে স্থল আগ্রাসনের সুযোগ দেওয়া হয়নি'

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম

সীমান্তজুড়ে এলিট ইউনিট ও ব্রিগেড মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে স্থল আগ্রাসনের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ফার্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনীর এলিট ইউনিট ও ব্রিগেডগুলো সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেওয়ার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর স্থল হামলার সুযোগ বন্ধ করে দেয়। এখনো এসব সেনা নিজ নিজ অবস্থানে মনোবল নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানান তিনি।

আকরামিনিয়া বলেন, ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম, বিশেষ করে শত্রুপক্ষের বিমান ভূপাতিত করার ঘটনা, ব্যাপকভাবে প্রচার পেয়েছে। তবে স্থলবাহিনীর ভূমিকার দিকেও আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

তার ভাষ্য, সীমান্তে স্থলবাহিনীর মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রকে স্থলপথে হামলা চালানোর সুযোগ তো দেয়ইনি, এমনকি এ ধরনের হামলার সাহসও করতে দেয়নি।

ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আরও বলেন, বিমানবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ও নৌবাহিনীর পাশাপাশি স্থলবাহিনীও সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন বাহিনীর সম্মিলিত তৎপরতার মাধ্যমে শত্রুপক্ষকে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার একাধিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে দুই দেশ ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনব্যাপী হামলা চালায়। এরপর ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফার আগ্রাসন ৪০ দিন পর এপ্রিলের শুরুতে থামে।

ইরানের দাবি, উভয় সংঘাতেই দেশটির পাল্টা সামরিক অভিযানের মুখে হামলাকারীরা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য হয়। দ্বিতীয় দফার সংঘাতের সময় থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান শক্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়াজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। সূত্র: প্রেস টিভি

এএস
আরও পড়ুন