'ডেঞ্জারাস' পর্যায়ে পৌঁছালো ইয়েমেন যুদ্ধ

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ এএম

ইয়েমেনের যুদ্ধ নতুন এবং সম্ভাব্যভাবে আরও বিপজ্জনক এক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। যুদ্ধক্ষেত্রে শক্তির ভারসাম্য এখনো পরিবর্তনশীল।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথি—যারা আনসার আল্লাহ নামেও পরিচিত—ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের বেশ কয়েকটি এলাকায় নতুন করে অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালীর আশপাশের এলাকাও রয়েছে।

হুথিদের এসব অগ্রগতি ঠেকাতে এখন ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্ররা একাধিক ফ্রন্টে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। এর মধ্যে কৌশলগত লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকাগুলোও রয়েছে।

সরকারি বাহিনীর দাবি, তারা ইতোমধ্যে বন্দরনগরী মোখা এবং ধুবাবের কাছে একটি বিমানবন্দর-সংলগ্ন জেলা পুনর্দখল করেছে। এসব অবস্থান বাব আল-মান্দাব প্রণালীর খুব কাছাকাছি।

এ ছাড়া হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজধানী সানার দিকে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত অভিযানও শুরু করার দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

তবে যুদ্ধক্ষেত্রে উভয় পক্ষের দেওয়া এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এক বিবৃতিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালিকি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর স্থল অভিযানে বিমান সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার পরিচালিত ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানে ১০০টি যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।

অন্যদিকে হুথিপন্থি রাজনৈতিক ভাষ্যকার হুসেইন আলবুখাইতি দাবি করেছেন, সংঘাতে এখনো হুথিরাই কৌশলগতভাবে এগিয়ে রয়েছে।

যুদ্ধ এখন উত্তর দিকে উপকূলীয় এলাকাগুলো পুনর্দখলের পাশাপাশি সানার দিকে অগ্রসর হওয়ার দিকে মোড় নিচ্ছে। ফলে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—এই নতুন সামরিক অভিযান কি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ইয়েমেনের যুদ্ধে শক্তির ভারসাম্য সত্যিই বদলে দিতে পারবে?

এমইউ
আরও পড়ুন