লেবাননে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য ইরান হিজবুল্লাহকে ২০ কোটি ডলার দিয়েছে এমন খবর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে লেবাননে সহায়তা কার্যক্রমের সঙ্গে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টিও যুক্ত করেছে ওয়াশিংটন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে যেসব পরিবারের বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে বা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, তাদের সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে হিজবুল্লাহ।
গত এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযানের কারণে ১২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর সহায়তায় ইরান হিজবুল্লাহকে ২০ কোটি ডলার দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ওই অর্থের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
ওয়াশিংটনের অবস্থান অনুযায়ী, লেবাননে সহায়তা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে অর্থ দেওয়ার খবরের সত্যতা যাচাইয়ে কী ধরনের প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, সে বিষয়ে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই।
ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনকে কেন্দ্র করে লেবাননে মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। তবে ইরানের অর্থায়ন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে অর্থের উৎস, পরিমাণ ও প্রকৃত ব্যবহার সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
ভারতের কাছ থেকে নেওয়া শিক্ষা কি স্বীকার করবেন ট্রাম্প?
এলপিজি নিয়ে কারসাজি করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে: বাণিজ্যমন্ত্রী