ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতকে শুধু দুই পক্ষের সামরিক লড়াই হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত কারণ বোঝা কঠিন। এর পেছনে রয়েছে ইয়েমেনের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের লড়াই, সৌদি আরবের সীমান্ত নিরাপত্তা, ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন।
২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে হুথিরা। পরের বছর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সংঘাত অনেকটা স্তিমিত হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলা এবং ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত বাহিনীর পাল্টা অভিযান নতুন করে আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
সংঘাতের শুরু ইয়েমেনের ক্ষমতার লড়াই থেকে
সৌদি-হুথি সংঘাতের শিকড় বুঝতে হলে প্রথমে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটের দিকে তাকাতে হবে। দীর্ঘদিন ইয়েমেন শাসন করেন প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহ। ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, বৈষম্য ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের অভিযোগে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। ২০১২ সালে তিনি ক্ষমতা ছাড়লে তার উপপ্রেসিডেন্ট আবদরাব্বু মনসুর হাদি দায়িত্ব নেন।
কিন্তু নতুন সরকার রাজনৈতিক সংস্কার, ক্ষমতা বণ্টন, আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান করতে পারেনি। জ্বালানির ভর্তুকি প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তে জনঅসন্তোষ বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে উত্তর ইয়েমেনভিত্তিক হুথি আন্দোলন নিজেদের রাজনৈতিক ও সামরিক অবস্থান শক্তিশালী করে। ২০১৪ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট সালেহের অনুগত সামরিক ইউনিটগুলোর সঙ্গে জোট বেঁধে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তারা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের নিয়ন্ত্রণ নেয়। আবদরাব্বু মনসুর প্রথমে এডেনে এবং পরে সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। এরপর ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই আন্তর্জাতিক সংঘাতে রূপ নেয়।
যে কারণে যুদ্ধে জড়ালো সৌদি আরব
সৌদি আরবের দৃষ্টিতে হুথিদের উত্থান ছিল সীমান্তের কাছে একটি বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। ইয়েমেন সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী দেশ। সেখানে ইরান-ঘনিষ্ঠ একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিলে রিয়াদ তার আঞ্চলিক অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা করে। ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে। ঘোষিত লক্ষ্য ছিল হুথিদের অগ্রযাত্রা থামানো এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হাদি সরকারকে পুনর্বহাল করা।
কিন্তু বিমান হামলা, স্থলযুদ্ধ, অবরোধ এবং পাল্টা আক্রমণের ধারাবাহিকতায় যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়। সৌদি আরবের সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও হুথিদের উৎখাত করা সম্ভব হয়নি। বরং হুথিরা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে সৌদি আরবের ভেতরে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করে। সৌদি আরবের নিরাপত্তা-উদ্বেগ তাই একদিকে যেমন হুথিদের সামরিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত, অন্যদিকে তেমনি ইয়েমেনে নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার প্রশ্নের সঙ্গেও জড়িত।
ইরান কি এই সংঘাতের মূল চালিকাশক্তি?
সৌদি আরব ও ইরান দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। সিরিয়া, ইরাক, লেবানন ও ইয়েমেনের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে। ইরান হুথিদের রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা ও প্রতিবেদনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইরানের সহায়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরব মনে করে, এই সম্পর্কের মাধ্যমে ইরান তার দক্ষিণ সীমান্তের কাছে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছে।
তবে হুথিদের পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করাও যথার্থ নয়। তাদের নিজস্ব নেতৃত্ব, স্থানীয় সমর্থনভিত্তি, রাজনৈতিক লক্ষ্য এবং ইয়েমেনের ক্ষমতা নিয়ে স্বতন্ত্র হিসাব রয়েছে। ইরানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতা থাকলেও সব সিদ্ধান্ত যে তেহরান থেকে আসে, এমন প্রমাণ নেই। অর্থাৎ, সংঘাতের পেছনে ইরান-সৌদি প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটকে বাদ দিয়ে এর ব্যাখ্যা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলার কারণ
সাম্প্রতিক সংঘাতের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা। রয়টার্সের ১৪ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধাহরানে সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হামলার পর হুথিরা সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আরও হামলার হুমকি দিয়েছে। তাদের দাবি, ইয়েমেনে সৌদি সামরিক অভিযানের জবাব হিসেবেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। একই সময়ে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ধরনের হামলার কয়েকটি কৌশলগত উদ্দেশ্য থাকতে পারে। প্রথমত, সৌদি আরবের ভেতরে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করে সামরিক অভিযানের মূল্য বাড়ানো। দ্বিতীয়ত, বিমান চলাচল, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটিয়ে সৌদি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করা।
সৌদি আরবের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, পর্যটন, বিমান চলাচল এবং তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। এসব স্থাপনায় হামলা হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে হুথিদের ঘোষিত লক্ষ্য এবং হামলার প্রকৃত সামরিক উদ্দেশ্য এক বিষয় নয়। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিশ্চিত করতে হলে আরও প্রমাণ ও স্বাধীন বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
বাব আল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্ব
সৌদি-হুথি সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা হলো লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এখানকার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে জাহাজকে দীর্ঘ বিকল্প পথে চলতে হতে পারে, বাড়তে পারে পরিবহন ব্যয় ও বীমার খরচ।
২০২৬ সালের সাম্প্রতিক লড়াইয়ে হুথিদের লোহিত সাগর উপকূলের কিছু এলাকায় অগ্রগতি এবং সৌদি সমর্থিত বাহিনীর পাল্টা অভিযান এই নৌপথের নিরাপত্তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্স লাইব্রেরির ৫ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্লেষণেও বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধকে আঞ্চলিক উত্তেজনার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই প্রণালির আশপাশে সামরিক প্রভাব বিস্তার করতে পারলে কোনো পক্ষ সরাসরি যুদ্ধের বাইরেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ তৈরির সুযোগ পেতে পারে।
২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার কারণ
জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালের এপ্রিলে ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এর ফলে সরাসরি সংঘর্ষ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। তবে যুদ্ধের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান হয়নি। দেশটি কার্যত বিভিন্ন সশস্ত্র ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত থেকে যায়। হুথিরা উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল বা প্রেসিডেনশিয়াল নেতৃত্ব পরিষদ দক্ষিণ ও অন্যান্য এলাকায় প্রভাব বজায় রেখেছে। সরকারপন্থী শিবিরের মধ্যেও বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থ ও লক্ষ্য নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্স লাইব্রেরির বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে হুথি-সৌদি ও ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে সংঘাত আবার তীব্র হয়েছে। হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্র ও আকাশপথে অবরোধের ঘোষণা এবং ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা চালিয়েছে; পাল্টা সৌদি আরবও সামরিক অভিযান শুরু করেছে। যুদ্ধবিরতি মূলত লড়াই কমিয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতা ভাগাভাগি, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সম্পদ বণ্টন এবং ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে বিরোধের স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। ফলে নতুন আঞ্চলিক উত্তেজনা পুরোনো সংঘাতকে আবার জাগিয়ে তুলেছে।
সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ
দীর্ঘ যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে ইয়েমেনের সাধারণ মানুষের ওপর। খাদ্য, জ্বালানি, চিকিৎসা এবং নিরাপদ পানির সংকট বহু মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। রয়টার্সের ১৪ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলো চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, হুথি যোদ্ধাদের অবরোধে থাকা তাইজ শহরে ৬ লাখের বেশি মানুষের কাছে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো যাচ্ছে না; তাদের মধ্যে দুই লাখেরও বেশি নারী ও শিশু। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা, ইয়েমেনে পাল্টা সামরিক অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতা; সব মিলিয়ে সংঘাতের প্রভাব এখন দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
শান্তির পথ কোথায়?
সৌদি-হুথি সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কেবল সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সম্ভব হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। অতীতের দীর্ঘ যুদ্ধ দেখিয়েছে, এক পক্ষকে সম্পূর্ণ পরাজিত করার প্রচেষ্টা সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে পারে। আবার সীমান্তের নিরাপত্তা ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। সমাধানের জন্য প্রয়োজন সৌদি আরব, হুথি নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে কার্যকর আলোচনা। একই সঙ্গে বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা পৌঁছানো, বন্দিবিনিময়, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ইয়েমেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সমঝোতা জরুরি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইয়েমেনের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ও নিরাপত্তাকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখা। কারণ এই সংঘাতের সূত্রপাত স্থানীয় ক্ষমতার লড়াই থেকে হলেও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাকে বহু বছর ধরে জিইয়ে রেখেছে। সেই আঞ্চলিক স্বার্থের সমীকরণ বদলানো এবং ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংকটের রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে পাওয়াই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির প্রধান শর্ত।
সূত্র: দ্য ডন
ইরানে ‘মাদার অব অল বম্বস’ হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সস্তা ড্রোন দিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে আফগানিস্তান
মন্দিরে বড় হামলার পরিকল্পনা, মার্কিন তরুণ গ্রেপ্তার
গাজায় ‘যুদ্ধবিরতির’ পরও নিহত ১ হাজার ৫০১ ফিলিস্তিনি
গাজায় হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও চলছে জলপাই সংগ্রহ
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ইরানি শিক্ষার্থীর মৃত্যুদণ্ড
তথ্য ফাঁসকারীদের ‘গুলি করে মারা উচিত’: ট্রাম্প
ইরানের খাইবারশেকান ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা হুথিদের