লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি। এলাকায় তিনি আলোচিত ‘খোরশেদ বাহিনী’র প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামের খাঁনের বাড়ির সামনের সড়কে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত খোরশেদ দিলসাদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ হত্যা, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক কারবারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহতের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার অভিযোগ করে জানান, খোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে মাটির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বুধবার দুপুরে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুজন ব্যক্তি বিশেষ প্রয়োজনে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পরই গুলির আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে জানতে পারেন, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি খোরশেদের বুকে গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেছেন।
পরিবারের দাবি, মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ওয়ালিদের সঙ্গে খোরশেদের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল এবং ইতিপূর্বেও ওয়ালিদ তাকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন। সেই পূর্বশত্রুতার জের ধরেই সুপরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম রনি জানান, খোরশেদকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। তার বুকের অংশে একাধিক তাজা গুলির গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ ফারভেজ জানান, খোরশেদ বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তি প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত তা শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।
স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪৬
স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে হবে: শিক্ষামন্ত্রী