যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে পদত্যাগ করেছেন বিচার বিভাগের নাগরিক অধিকার বিভাগের প্রধান হারমিত কৌর ধিলন। ট্রাম্প প্রশাসনে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পদত্যাগ করা প্রথম জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হারমিত কৌর ধিলন দেশটির বিচার বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) সিভিল রাইটস ডিভিশনের প্রধানের পদ ছেড়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এক পোস্টে ব্ল্যাঞ্চ বলেন, ধিলন ‘দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে’ নাগরিক অধিকার বিভাগ পরিচালনা করেছেন। তিনি আরও লেখেন, ‘তিনি প্রত্যেক আমেরিকানের নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষা করেছেন এবং ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই আইন প্রয়োগ করেছেন।’ তাঁর নিবেদিত জনসেবার জন্য বিচার বিভাগ কৃতজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন ব্ল্যাঞ্চ।
ভারতের চণ্ডীগড়ে একটি পাঞ্জাবি শিখ পরিবারে জন্ম হারমিত কৌর ধিলনের। তাঁর পরিবার প্রথমে লন্ডনে যায়, পরে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত ধিলন বিচার বিভাগে যোগ দেওয়ার আগে কয়েক বছর সান ফ্রান্সিসকোতে নিজের আইন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। রক্ষণশীল ঘরানার বিভিন্ন পডকাস্টে তাঁকে নিয়মিত অতিথি হিসেবে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয়।
তাঁর পূর্বসূরিদের তুলনায় ধিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি সরব ছিলেন। নাগরিক অধিকার বিভাগ কী ধরনের কাজ করছে, তা নিয়ে তিনি নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করতেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা বিভিন্ন পোস্ট থেকেই অনেক সময় নাগরিক অধিকারসংক্রান্ত তদন্তের ধারণা পেতেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে ধিলনের পদত্যাগকে প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে খামেনির বার্তা পৌঁছে দিলেন মোহসেন রেজায়ি