ইরানের পারমাণবিক ও প্রতিরোধনীতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ফারস প্রদেশে সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ লুতফুল্লাহ দেজকাম। সামরিক হুমকি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের পারমাণবিক নীতিতে পরিবর্তন প্রয়োজন কি না, তা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।
শুক্রবার শিরাজে জুমার নামাজের খুতবায় দেজকাম বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, শত্রুপক্ষের হুমকির মুখে দেশটির পারমাণবিক নীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন কি না। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দেজকাম একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও উন্নত করার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষ্য, ইরানের ওপর সম্ভাব্য কোনো হামলার জবাব দেওয়া হবে তাৎক্ষণিকভাবে এবং কোনো ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে তা সীমাবদ্ধ থাকবে না।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিরোধ সক্ষমতা এমন পর্যায়ে নিতে হবে, যাতে প্রতিপক্ষ ইরানে হামলার কথা চিন্তা করতেও নিরুৎসাহিত হয়।
ইরানের পারমাণবিক নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি দেশটির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে আরও জোরালো হয়েছে। তবে এসব বক্তব্যের মধ্যেই দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি ১ নভেম্বর জানিয়েছিলেন, পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের বিষয়ে সরকার বা জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি।
ফলে দেজকামের বক্তব্যকে নীতিগত পরিবর্তনের ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি ইরানের পারমাণবিক ও প্রতিরোধনীতি নিয়ে চলমান অভ্যন্তরীণ বিতর্কেরই অংশ।
মার্কিন রণতরীকে হাজার কিলোমিটার পিছু হটতে বাধ্য করেছি: আলী ফাদাভি
এআই ব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন মসজিদে হারামের প্রধান ইমাম