চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মনিরুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়ে তাকে আহত করার পর ধরে নিয়ে ভারতীয় অংশে চলে গেছে বিএসএফ।
ঘটনার পর থেকে ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ও তিনি জীবিত আছেন কি না, তা নিয়ে পরিবারে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর সীমান্তের ওপারে ভারতের পুটিখালি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মনিরুল ইসলাম হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় মনিরুলসহ সাতজন সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি যান।
এ সময় তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বিএসএফ সদস্যরা লক্ষ্য করে গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়লে মনিরুল আহত হন।
তার পায়ে গুলি এবং পিঠে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে বলে স্থানীয়রা জানান।
গুলিবিদ্ধ হয়ে মনিরুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার সাথে থাকা অন্য ছয়জন খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে আসেন।
পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান বলে দাবি স্থানীয়দের।
তার সাথে থাকা অন্য ছয়জন হলেন—কামাল উদ্দিনের ছেলে রাশেদ (৩২), তৈয়ব আলীর ছেলে আনিছ (৩৫), বগের ছেলে সোহান (২৫), কিনার উদ্দিনের ছেলে শাওন (২৬), মৃত বদরুদ্দিনের ছেলে মিন্টু (৩৮) এবং মতেহার হোসেনের ছেলে মশিয়ার (৪০)। তারা সবাই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
হরিহরনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য টিটু জানান, সন্ধ্যায় সীমান্ত এলাকায় একাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়।
পরে খোঁজ নিয়ে মনিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হওয়া ও বিএসএফের তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা।
তবে তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, তারা বিষয়টি শুনেছেন এবং খোঁজখবর নিচ্ছেন।
অন্যদিকে ৫৮ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর তাহসিন জানান, সীমান্তে গুলিবর্ষণের পর একজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর তারা পেয়েছেন।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে শনিবার বিএসএফের সাথে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কয়েক শ’ কোটি ডলার বিনিয়োগ কেলেঙ্কারি : তুরস্কের সাবেক মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী গ্রেফতার
আরেক দফা বেড়েছে সবধরনের চালের দাম
বায়ুদূষণের কবলে দিল্লি, সরিয়ে নেয়া হলো ভারত-শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ম্যাচ