বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্তে তুরস্কের সাবেক এক মন্ত্রীকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ইস্তাম্বুলের একটি আদালত পুঁজিবাজার আইন লঙ্ঘন ও প্রতারণার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
গ্রেফতার হওয়া ফাতমা বেতুল সায়ান কায়া ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তুরস্কের পরিবারবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের ক্ষমতাসীন একে পার্টির সাবেক উপপ্রধান ছিলেন।
প্রধান বিরোধী দল ইয়েনি পার্টি তার বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে অভ্যন্তরীণ গোপন তথ্য ব্যবহারের (ইনসাইডার ট্রেডিং) মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জনের অভিযোগ আনে। অভিযোগ ওঠে, কায়া ও তার স্বামী কেলেঙ্কারি ফাঁসের আগেই কিছু শেয়ার বিক্রি করে লাখ লাখ ডলার মুনাফা সরিয়ে নেন।
তদন্ত শুরু হলে কায়া গত সেপ্টেম্বরে দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ান এবং পরবর্তীতে দল ত্যাগ করেন। প্রায় পাঁচ লাখ সাধারণ বিনিয়োগকারীর আমানত অনিশ্চয়তায় ফেলায় শেয়ারবাজারের কারসাজি খতিয়ে দেখছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।
দেশটির বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানান, এই কেলেঙ্কারির প্রভাব মোকাবিলায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার তদন্তে এখন পর্যন্ত বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত ১১২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু
সীমান্তে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
বায়ুদূষণের কবলে দিল্লি, সরিয়ে নেয়া হলো ভারত-শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ম্যাচ