প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব এ তথ্য জানান। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে আজ এ আইন সংশোধনী চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আইনে বলাৎকার ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ব্যাপারে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে।’
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর।
এর আগে, সোমবার (১৭ মার্চ) আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, শুধু শিশু ধর্ষণ মামলার জন্য আলাদাভাবে বিচার করার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের বিধান রাখা হচ্ছে।
ওইদিন আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনের বিষয়ে বিশেষ বৈঠকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন আইনের সংশোধন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় শিশুদের ধর্ষণ মামলার আলাদাভাবে বিচার করার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল স্থাপনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্মতি নিয়ে প্রতারণামূলক কিংবা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্মতিক্রমে যে ধর্ষণের বিচার সেটা একটা আলাদা অপরাধ। সম্মতি ছাড়া ধর্ষণের ঘটনাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিচার এবং তদন্তের সময় কমানো হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে কিছু সংজ্ঞা আনা হয়েছে। মামলার সংজ্ঞা পরিবর্তন করে শুধু পুরুষ কর্তৃক নয়, যে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণকে শাস্তিযোগ্য করা হচ্ছে। এছাড়া ধর্ষণের সংজ্ঞাকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বিশদভাবে। বলাৎকারকেও আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিচারপতি খিজির হায়াতকে অপসারণ