বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে উচ্চপর্যায়ের এক সফরে ঢাকা এসেছেন যুক্তরাজ্যের বিশেষ বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। নতুন সরকার গঠনের পর তার এই সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) থেকে তার সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন।
ব্যারোনেস উইন্টারটনের এই সফরে মূলত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এগুলো হলো বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, বিমান চলাচল (অ্যাভিয়েশন) এবং প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। সফরকালে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করবেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হবে। এছাড়া ব্যারোনেস উইন্টারটন বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং এদেশীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের নতুন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে বের করাই হবে এই আলোচনার মূল লক্ষ্য।
সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি কয়েকটি রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন, যারা যুক্তরাজ্যের ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’ (DCTS) সুবিধার আওতায় দেশটিতে পণ্য পাঠাচ্ছে। এই বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার ও সহজ রপ্তানি নীতিমালার সুবিধা পায়। উল্লেখ্য, বর্তমানে এই স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সুবিধাভোগী দেশ।
সফর প্রসঙ্গে ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী সম্পর্ক বিদ্যমান। নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করে আমি দুই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আশাবাদী।’
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক বলেন, ‘এই সফর আমাদের বিদ্যমান অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বড় রপ্তানি বাজার এবং আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগে বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করে যেতে চাই।’
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়স নির্ধারণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
