দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। যে কোনো সময় যে কোনো দোয়া পড়া যায়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রসুল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের দোয়া শিখিয়েছেন। এমনকি ছোট থেকে ছোট বিষয়েরও দোয়া শিখিয়েছেন। আর শুধু একটি দিবসে নয়, মা বাবার জন্য দোয়া করুন সবসময়।
সব রোগ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা দরকার। আর কোরআন যেহেতু আল্লাহর বাণী তাই আল্লাহর কোরআনের মাধ্যমেই শেফা বা রোগ মুক্তি কামনা করা প্রয়োজন। নিচের দোয়াগুলো রোগ মুক্তির জন্য অনেক উপকারী।
উচ্চারণ : ওয়া ইয়াশফি ছুদূর কাওমিমমুউমিনিন।
অর্থ : আল্লাহ, তুমি মুমিনদের অন্তরকে রোগমুক্ত করে দাও। (সুরা : আত তাওবা : ১৪)
উচ্চারণ: ওয়া শিফা উল্লিমা ফিছছুদূর। ওয়া হুদাও ওয়া রহমাতুললিল মু’মিনিন। অর্থ : (কোরআন হচ্ছে) মুমিনদের জন্য অন্তরের রোগগুলোর প্রতিষেধক। (সুরা ইউনুস : ৫৭)
উচ্চারণ: ওয়া নুনাঝ্ঝিলু মিনাল কুরআন মা হুওয়া শিফা উওওয়া রহমাতুললিল মুউমিনিন।
অর্থ : কোরআনে আমি এমন বিষয় নাজিল করেছি, যা ইমানদারদের জন্য রোগমুক্তি ও রহমত। (সুরা বনী ইসরাঈল : ৮২)
উচ্চারণ : ওয়া ইজা মারিদ্বতু ফাহুয়া ইয়াশফিন। অর্থ : যখন আমি অসুস্থ হই, তখন আল্লাহই আমাকে আরোগ্য দান করেন। (সুরা শুআরা : ৮০)
অসুস্থতাকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করে হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম বলেছেন, ‘আমি পীড়িত হই।’ কিন্তু আরোগ্য দানকে আল্লাহতায়ালার কাজরূপে উল্লেখ করে বলেন, ‘তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।’
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সা. বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়ে থাকে। যদি সে তাড়াহুড়া না করে আর বলে যে, আমি দোয়া করলাম, কিন্তু আমার দোয়া তো কবুল হলো না’। (বুখারি ৬৩৪০)
আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ৫ আমল