ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া মার্কিন সামরিক অভিযান এক মাস পূর্ণ করেছে। এই ৩০ দিনে দেশটির ভেতরে ১১ হাজারের বেশি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেনারেল কেইন দাবি করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় এ পর্যন্ত ইরানের ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক তরি ধ্বংস হয়েছে। তিনি আরও জানান, ইরানের আকাশসীমায় এখন মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘একচ্ছত্র আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে বি-৫২ (B-52) স্ট্রেটোফোর্ট্রেস বোমারু বিমানগুলো এখন কোনো বাধা ছাড়াই ইরানের স্থলভাগের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ও বোমাবর্ষণ করতে পারছে।
সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেন, ইরানে ইতোমধ্যেই আগের শাসকগোষ্ঠীর পতন বা ‘রেজাইম চেঞ্জ’ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি ইরানের বর্তমান ও সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্বের প্রতি বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান।
হেগসেথ চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ইরানের বর্তমান শাসকরা যদি ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া শর্তানুযায়ী কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের হামলার তীব্রতা আরও নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দেবে।’
পেন্টাগনের এই পরিসংখ্যান ইরানকে একটি ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে’ বাধ্য করার কৌশলেরই অংশ। তবে ইরান এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি। সূত্র: বিবিসি।