রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় চলছে পশু কোরবানি

আপডেট : ২৮ মে ২০২৬, ০৯:২০ এএম

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা ত্যাগের মহিমায় ঈদের নামাজের পরপরই পশু কোরবানি শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় ঈদের নামাজ শেষ করে নগরবাসী অলি, গলিতে পশু কোরবানি করছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের নামাজ শেষ করেই পশু কোরবানি দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরবাসী।

মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেন এবং বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্ররা পশু জবাইয়ে অংশ নিচ্ছেন। প্রতিবেশীরা একে অপরের পশু জবাই দিতে সহযোগিতা করছেন।

অনেকেই পেশাদার কসাইয়ের অভাবে ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি করবেন বলে জানিয়েছেন।

সকালে রামপুরার জামতলায় গলিতে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক মিলে গরু জবাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন শিশুসহ নানা বসয়সীর মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, এটি ত্যাগের শিক্ষা দেয়। আমরা প্রতিবছর পরিবারের সবাই একত্রিত হয়ে কোরবানি করি। এতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

রামপুরার আরেক বাসিন্দা শারমিন আক্তার বলেন, শিশুরা সকাল থেকেই খুব আনন্দ করছে। তারা গরুর পাশে ঘুরছে, মাংস কাটার কাজ দেখছে। ঈদের এই পরিবেশ বছরে একবারই আসে।

কসাই রিপন মিয়া বলেন, সকাল ৭টার পর থেকেই কাজ শুরু করেছি। আজকে অন্তত সাতটা গরু জবাই করতে হবে। ঈদের সময়ই আমাদের সবচেয়ে বেশি আয় হয়।

আর এক কসাই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আজ আমরা অনেক ব্যস্ত। এই গরু কেটে মোল্লা বাড়ি যাবো, সেখানে ৩টা গরুর কাটতে হবে। এরপর জাকের গলিতে আরও দুটি গরু কাটার কাজ আছে।

এদিকে শিশু-কিশোরদের মধ্যেও ঈদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন পোশাক পরে তারা কোরবানির পশুর মাংস কাটা দেখছে। কেউ কেউ বড়দের কাজে সহায়তা করছে।

YA
আরও পড়ুন