কুড়িগ্রামে বেড়েছে শীত ও কুয়াশার দাপট

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম

কুড়িগ্রামে কুয়াশা ও শীতের দাপট বেড়েছে। রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাত থেকে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত এই বিস্তীর্ণ জনপদে সূর্যের দেখা মেলেনি। এ সময় বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকে কুয়াশা। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে। কুয়াশার সঙ্গে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে সময়মতো কাজে যেতে পারেননি খেটে খাওয়া দিনমজুররা।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের দিনমজুর চান মিয়া (৫০) বলেন, কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড কুয়াশা আর ঠান্ডা পড়ছে। আমাদের মতো গরিব মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছে। গরম কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই। বড় লোকেরা বাইরে না বের হলেও চলে, কিন্তু আমাদের তো বাইরে বের হতেই হয়। দিন আনি দিন খাই, কাজ না করলে স্ত্রী-সন্তানকে কী খাওয়াব তাই বাধ্য হয়েই বের হই।

একই এলাকার আসাদুল ইসলাম (৬০) বলেন, গত কয়েক দিন ধরে খুব ঠান্ডা আর কুয়াশা পড়ছে। বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে গেছে। আমরা যারা দিন এনে দিন খাই, আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে।

শিক্ষার্থী সুচনা খাতুন বলেন, ঠান্ডার কারণে আমাদের স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এই ঠান্ডায় লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে, স্কুলে যেতেও অনেক কষ্ট হয়।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৯ শতাংশ। আগামী কয়েক দিন এ তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

SN
আরও পড়ুন