বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের পর সমাজ পরিষ্কারের কাজ করা হবে।
তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়াজুড়ে মাদকের মতো সামাজিক সমস্যা বেড়েছে, যা ঘরে ঘরে শোনা যাচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সবাইকে নিয়ে কাজ করা হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার রোয়াজারহাট বাজারের রাঙ্গুনিয়া ক্লাব মাঠে ‘পরিচ্ছন্ন রাঙ্গুনিয়া, গড়বো এবার আমরা’ শীর্ষক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
হুমাম কাদের চৌধুরী জানান, তিনি ধানের শীষ প্রতীক আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পেয়েছেন এবং এ জন্য রাঙ্গুনিয়াবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। তিনি বলেন, তাঁর স্ত্রী সামানজার খান এই পরিচ্ছন্নতা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া পরিষ্কার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একইভাবে নির্বাচনের পর সমাজকেও পরিষ্কার করার দায়িত্ব নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, জনসংখ্যা বাড়ছে, বড় বড় ভবন হচ্ছে, এর সঙ্গে পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। বিদেশে গেলে দেখা যায় চারপাশ কতটা পরিচ্ছন্ন। বিদেশ যদি পরিচ্ছন্ন হতে পারে, বাংলাদেশ কেন পারবে না। সে ভাবনা থেকেই ঘর থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্ন রাঙ্গুনিয়া গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক সাংবাদিক এম মতিন। রোয়াজারহাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি গাজী জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন একেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামানজার খান। আরও বক্তব্য দেন একেএস খান হেলথকেয়ার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক নোমানুর রশিদসহ অন্যরা।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এরই মধ্যে রাঙ্গুনিয়াজুড়ে ২০০টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও দেড়শটি ডাস্টবিন বসানো হবে। ছোট বিন থেকে বড় ডাস্টবিনে ময়লা স্থানান্তরের জন্য ২০টি বড় ডাস্টবিন বসানো হচ্ছে। এ ছাড়া ময়লা সংগ্রহের জন্য ১০টি নিজস্ব ভ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১৬ জন ভ্যানচালক, ১০ জন সুপারভাইজার ও দুইজন প্রকল্প প্রধান কাজ করছেন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন আর নেই
