গভীর সমুদ্র থেকে মাছধরা ট্রলারে করে মাদক আসার খবরে বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।
শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চালানো এ অভিযানে একটি ট্রান্সপোর্ট কার্যালয় থেকে ৯ পিস ইয়াবা ও এক পুরিয়া গাঁজা এবং পাশের একটি কক্ষ থেকে একটি দেশীয় রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় কাউকে আটক করা যায়নি।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিএফডিসি মৎস্য ঘাটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের শুরুতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব এনামুল হক ইমু পরিচালিত একটি ট্রান্সপোর্ট কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে ৯ পিস ইয়াবা ও এক পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে পাশের একটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় রামদা পাওয়া যায়।
পাথরঘাটা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসান আল বকর মেছাল বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিএফডিসি মৎস্য ঘাটকে মাদক ব্যবসার নিরাপদ ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সমুদ্র থেকে মাছ নিয়ে আসা ট্রলার ও ঘাটকেন্দ্রিক পরিবহন ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে মাদক সরবরাহ করা হচ্ছে। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সাগর থেকে মাছ শিকার করে ফিরে আসা সবাই প্রকৃত জেলে নন। অভিযোগ রয়েছে, কিছু মাদক কারবারি জেলের ছদ্মবেশে গভীর সমুদ্রে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের ট্রলারের মাধ্যমে মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সমুদ্রগামী ট্রলার ও জেলেদের ওপর নজরদারি বাড়ানো দরকার।
পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, মৎস্য ঘাটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, গাঁজা ও একটি দেশীয় রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেভিড ইমনের সহযোগী ‘টেস্টার মোবারক’ গ্রেপ্তার
সড়ক দুর্ঘটনায় গাজীপুরের অতিরিক্ত পিপি নিহত, আহত ৪ আইনজীবী
কৃষক কার্ডের প্রণোদনা পাচ্ছেন ১ লাখ ১০ হাজার কৃষক