নুসরাত হত্যা মামলা: কারামুক্ত হলেন কাউন্সিলর মাকসুদ

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় খালাসের আদেশ পাওয়ার পর সাড়ে সাত বছর কারাভোগ শেষে মুক্তি পেয়েছেন মাকসুদ আলম প্রকাশ মাকসুদ আলী কাউন্সিলর। 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ফেনী জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। মাকসুদ আলম সোনাগাজী উপজেলার চর গণেশ এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আহসান উল্যাহর ছেলে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় মাকসুদ আলম প্রকাশ মাকসুদ কাউন্সিলরসহ ১০ আসামির খালাসের আদেশ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারে পৌঁছায়।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিদের মধ্যে আফসার উদ্দিন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আব্দুল কাদের, মোহাম্মদ শামীম, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা ও ইমরান হোসেন মামুন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন। রুহুল আমিন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং মহিলা বন্দি কামরুন্নাহার মনি গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।

২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। পরে ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলার ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। চার আসামি নুর উদ্দিন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ও উম্মে সুলতানা পপির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই রায়ে ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আব্দুল জলিল ও জেলার কাজী মাজহারুল ইসলাম জানান, নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় মাকসুদ আলমের খালাসের আদেশের কপি এবং বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, ফেনীর পাঠানো মুক্তির আদেশ রোববার রাত ৮টার দিকে কারাগারে পৌঁছায়। ওই আদেশের ভিত্তিতে সোমবার মাকসুদ আলম প্রকাশ মাকসুদ আলী কাউন্সিলরকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এম.সি.এইচ
আরও পড়ুন