টাঙ্গাইলের মিজাপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম প্রতিযোগিতায় নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভারতেশ্বরী হোমস উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছে শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারি কলেজ এবং তৃতীয় হয়েছে মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
শুক্রবার (১২ জুন ) সকালে ন্যাশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এসইডিসি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে মির্জাপুর শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারি কলেজে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-০৭ মির্জাপুর আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওছমান গনি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়দার, একাডেমিক সুপারভাইজার প্রবীর কুমার চৌধূরী, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সালাউদ্দিন আরিফ, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হযরত আলী মিঞা, সাধারণ সম্পাদক এস এম মহসীন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম ফরিদ, দপ্তর সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কোব্বত আরী মৃধা এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. ওয়াজেদ মৃধা প্রমুখ। পরে বিজয়ীদের মেধ্য পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
জানাগেছে, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে সারা দেশে শুরু হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচি উপজেলা-থানা, জেলা এবং জাতীয়—এই তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করবে সরকার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচি আয়োজন করা হচ্ছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক দল অংশগ্রহণের সুযোগ থাকায় লক্ষাধিক দল নিবন্ধন করেছে। তিনজন শিক্ষার্থী ও দুজন শিক্ষকের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা-থানা পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলো পুরস্কার পাবে। সেখান থেকে নির্বাচিত সেরা দলগুলো ১৪ জুন জেলা পর্যায়ের প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। জেলা ও মহানগর পর্যায় থেকে বাছাই করা হবে সেরা ১০০টি দল।
পরবর্তী সময়ে ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই ১০০টি দলকে নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। জাতীয় পর্যায়ে দলগুলো তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করবে। সেখান থেকে সেরা ১০টি দল নির্বাচিত হবে।
বিজয়ী শিক্ষার্থীরা পাবে ২০ হাজার টাকা ও সনদপত্র। আর বিজয়ী শিক্ষকেরা পাবেন ৩০ হাজার টাকা ও সনদপত্র।
সিংড়ায় স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রতিমন্ত্রী টুকু
দুই মাস বয়সী শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান নিখোঁজ