ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নাগরিক সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন ) দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ পৌরসভার হলরুমে আয়োজিত এ সেমিনারে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ব্যবসায়ী সমিতি, চেম্বার অব কমার্সসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
পৌর প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নাহিদ হাসান খান, সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান মারুফ এবং পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান।
এ ছাড়া সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
এ সময় পৌর প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক শহরের বিভিন্ন এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তারা বলেন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অপরিষ্কার ড্রেন মশার প্রজননের অন্যতম কারণ। তাই নাগরিকদের সহযোগিতায় কার্যকর ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
বক্তারা আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে। তাই এখন থেকেই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং পরিবার ও সমাজের অন্যদের সচেতন করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা উল্লেখ করেন।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও মশামুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।
পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার ঐক্য জরুরি
বন্ধুর বিয়েতে এসে প্রাণ গেলো প্রবাসী যুবকের
স্কুলের টিউবয়েলের পানি পান করে হাসপাতালে ৩১ শিক্ষার্থী