চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ এএম

চুয়াডাঙ্গার ওপর  দিয়ে টানা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ কখনো মাঝারি, আবার কখনো মৃদু। কনকনে শীত, ঘনকুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় নাকাল হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। রাত থেকে শুরু হচ্ছে শীতের প্রভাব।

তীব্র শীত ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে লেখা-পড়ার জন্য স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে। প্রচণ্ড শীতে ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে হেঁটে যাতায়াত করছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কমে গেছে। 

এছাড়া শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষেরাও পড়েছেন বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ। 

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এদিন সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ সময়ের বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। 

শীতের প্রভাব পড়েছে ব্যাবসা বাণিজ্যও। ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের সময় বেলা ১১টার আগে তেমন ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। একই সঙ্গে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনও কমে গেছে। 

AHA
আরও পড়ুন