কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না: ডিআইজি খুলনা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম

খুলনার রেঞ্জ ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, কোনভাবেই ফ্যাসিজমকে উত্থান হতে দেওয়া হবে না। ফ্যাসিষ্টদের দমনে পুলিশ আরও কঠোর হবে। ৫ আগস্ট ও ১৫ আগস্টকে ঘিরে কোন শঙ্কা নেই, পুলিশ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থাকবে। 

সোমবার ( ৩ আগস্ট) বিকালে ঝিনাইদহে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি এসব কথা বলেন।

ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশের উদ্যোগে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার জনাব মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান।

মাদকের বিষয়ে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে ডিআইজি বলেন, ‘সরকারের এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পুলিশ পুরোপুরি প্রস্তুত। কোনো পুলিশ সদস্য যদি মাদকে জড়িয়ে পড়ে, তবে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুত করা হবে। মাদকের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; ব্যক্তির কোনো অপকর্মের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না।’

ডাকাতি ও দস্যুতা কঠোর হস্তে দমনের জন্য পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা এবং সমাজের প্রতি কমেন্টমেন্ট (দায়বদ্ধতা) রয়েছে, এমন অফিসারদেরই পদায়ন করা হবে। এছাড়া নারীদের ওপর সহিংসতা দমনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিশু ও যুবসমাজকে ভালো কাজের দিকে এগিয়ে নিতে পুলিশ সম্প্রীতিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও তিনি জানান।

তথ্য আদান-প্রদান প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান অবাধ তথ্যের যুগে সঠিক তথ্য সময়মতো না দিলে গুজব ছড়াতে পারে। তাই দ্রুত দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঠিক তথ্য গণমাধ্যমকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ বজায় রেখে মানুষের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বলেন, ‘সন্ত্রাস, মাদক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব নিয়ন্ত্রণে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ডাকাত ও চোরচক্র ধরা হয়েছে।’ 

পাশাপাশি ফেসবুকে বিদ্বেষ ও গুজব ছড়াকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

জনবল সংকটের কথা তুলে ধরে পুলিশ সুপার বলেন, ‘গোটা জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষের সুরক্ষায় মাত্র ১,৬৬৮ জন পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। এই অল্পসংখ্যক পুলিশ দিয়েই সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

MCH/AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত