জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা হত্যায় উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে কারাগার থেকে কড়া পাহারায় তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আজকের শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন না করে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানাবে আসামিপক্ষ। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন।
তিনি দাবি করেন, প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে দাখিল করা বিতর্কিত ফোনালাপটি সালমান ও আনিসুল হকের নয়। এই ভয়েস রেকর্ড পরীক্ষার জন্য বিদেশি বিশেষজ্ঞ নিয়োগের আবেদন জানানো হলেও আদালত তা খারিজ করে নথিভুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ২২ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেন। প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলনে কারফিউ চলাকালে সাধারণ মানুষকে ‘শেষ করে দেওয়ার’ যে প্ররোচনা ওই ফোনালাপে দেওয়া হয়েছে, তা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আদালত তা আমলে নেন। আজ আসামিপক্ষ তাদের আইনি ব্যাখ্যা ও অব্যাহতির আবেদনের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করবেন। বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের বিষয়েও আসামিপক্ষের একটি আবেদন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জুলাই যোদ্ধা সুরভী জামিনে মুক্ত
একই দিনে নির্বাচন ও গণভোটের তফশিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট