রামিসা হত্যা মামলার রায়

স্বপ্নার পর আদালতে প্রধান আসামি সোহেল

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ এএম

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচিত মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আজ রোববার (৭ জুন) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয় এবং পরে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই মামলার অপর আসামি ও সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার আগে দুই আসামিই এখন হাজতখানায় রয়েছেন। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত আজ আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। এই রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মাত্র চার কার্যদিবসে এই মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। এর আগে ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয় এবং ২ জুন ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়। গত ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৯ মে সকালে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান রামিসার মা। ভেতর থেকে সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বালতির ভেতরে তার মাথা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই নৃশংস ঘটনায় গত ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা।

SN
আরও পড়ুন