পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে আমৃত্যু গণঅনশন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের আশ্বাসে তাঁরা অনশন ভাঙেন।
অনশনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আট শিক্ষার্থী আমৃত্যু গণঅনশন শুরু করেন। পরে ইসলামী ছাত্রশিবির, গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে আরও ছয়জন অনশনে সংহতি প্রকাশ করেন। সন্ধ্যা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত কয়েক দফায় উপাচার্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সোমবার (৩ জানুয়ারি) পর্যন্ত সময় চান। কিন্তু অনশনকারীরা রাজি হননি।
এদিন বেলা তিনটায় কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির সঙ্গে প্রশাসন সভা করে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন, এমন আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অনশন স্থগিত করেন। সভার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষে না এলে আবার তাঁরা আন্দোলনের ডাক দেবেন।
অনশন স্থগিতের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, ‘প্রশাসন আমাদের সঙ্গে নীতিগত জায়গায় একমত হয়েছে। আজ (সোমবার) বেলা তিনটায় সব পক্ষের সঙ্গে বসে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে। প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে যৌক্তিক সমাধান করার। বেলা তিনটার মিটিংয়ে আলোচনার ফলাফল দেখার শর্তে আমরা আমাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘আমরা নীতিগত জায়গায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একমত। আজ (সোমবার) বিকেল ৩টার সভায় এই বিষয়ের সমাধান হবে। এতে শিক্ষার্থীরাও খুশি হবেন বলে আশা করছি।’
জাবিতে পোষ্য কোটা বাতিলে শিক্ষার্থীদের আমৃত্যু অনশন
