ঢালিউডের বাণিজ্যিক ধারার সফল নির্মাতা রায়হান রাফী এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের একসঙ্গে কাজ করার খবরই ছিল বড় চমক। সেই চমককে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে তাদের নতুন চলচ্চিত্র ‘আইজ’। ছবিটির প্রযোজক তানভীর হোসেন। নির্মাণের শুরুতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে এসেছে সুখবর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে রায়হান রাফী জানিয়েছেন, তাদের নির্মাণাধীন চলচ্চিত্র ‘আইজ’ মর্যাদাপূর্ণ ‘কোপ্রো-অ্যাক্সেস ল্যাব ২০২৬’ এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এটিকে তিনি সিনেমাটির যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ প্রথম স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সিনেমার পেছনের গল্প ও ভাবনার কথা জানিয়ে রাফী লিখেছেন, ‘কিছু চলচ্চিত্রের জন্ম হয় গল্প থেকে। কিছু চলচ্চিত্রের শুরুটা হয় কোনো প্রশ্নকে ঘিরে। আর ‘আইজ’ -এর জন্ম এক অদম্য বিশ্বাস থেকে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা তথাকথিত আর্ট হাউস আর বাণিজ্যিক সিনেমার এক কৃত্রিম দেয়াল টেনে রেখেছি। আমি কখনোই বিশ্বাস করি না যে সিনেমাকে এমন কোনো গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখা যায়।’
রাফী জানান, ‘আইজ’ তাঁর কাছে বিশেষ একটি প্রজেক্ট। কারণ এই সিনেমার মাধ্যমেই আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ও প্রযোজক তানভীর হোসেনের সঙ্গে তাঁর সৃজনশীল যাত্রা শুরু হয়েছে।
তিনজনের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিই সিনেমাটির সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করেন রাফী। তাঁর ভাষ্য, সাদের কাজের মূল শক্তি মানুষের মনস্তত্ত্ব, নীরবতা ও নৈতিক টানাপোড়েনকে পর্দায় তুলে ধরা। অন্যদিকে তানভীর হোসেনের শক্তি তাঁর দূরদর্শিতা ও এমন একটি উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সক্ষমতা। আর তিনি নিজে এই প্রজেক্টে যোগ করেছেন গতি, ব্যাপ্তি, আবেগ এবং দর্শকের মনস্তত্ত্ব বোঝার অভিজ্ঞতা। এই বৈচিত্র্যের সমন্বয়েই ‘আইজ’ নিজস্ব ভাষা খুঁজে পাবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাফী পুরো টিম এবং কোপ্রো-অ্যাক্সেস ল্যাব ২০২৬ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সেলিন লুপ, মাথিভানান রাজেন্দ্রন ও পূজা মোহিতের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পোস্টের শেষদিকে ইঙ্গিত দিয়ে রাফী জানান, সিনেমাটি নিয়ে আরও চমকপ্রদ খবর শিগগিরই জানানো হবে।
শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধায় সিক্ত মুস্তাফা মনোয়ার
‘সির সির’-এর পর নোরা–সঞ্জয়ের নতুন চমক ‘চ্যাম্পিয়নস’