ইরানকে পুরোপুরি পরাস্ত করার পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার নিউইয়র্কের এক রাজনৈতিক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি নিশ্চিত করেন যে ইরান পরাজিত হওয়ার পথেই রয়েছে এবং এরপরই জলপথটি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সামরিক উত্তেজনার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ বা ২০ শতাংশ এ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই এলাকায় তৈরি হওয়া সংঘাত আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
নৌ অবরোধ ও সাম্প্রতিক কিছু জাহাজে হামলার ঘটনার পর রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী এই রুট দিয়ে দৈনিক গড়ে এক ডজনের জায়গায় মাত্র কয়েকটি জাহাজ পার হতে দেখা গেছে।
এর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে মার্কিন নৌ বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে হরমুজ প্রণালির মূল নিয়ন্ত্রণ এখন মূলত ওয়াশিংটনের হাতেই রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বা প্রয়োজন দেখা দিলে ইরানের উপকূলীয় বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অনির্দিষ্টকাল বহাল রাখা সম্ভব।
তবে ট্রাম্পের এই বিতর্কিত ভূখণ্ড সংক্রান্ত দাবিটি বাস্তবে রূপ দেওয়ার রূপরেখা কী হবে কিংবা আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি এতে কীভাবে প্রয়োগ হবে—তা এখনো অস্পষ্ট।
সংবাদের মূল সোর্স: রয়টার্স (Reuters)
আজ ১৫ আগস্ট : সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা
মানবাধিকার নিয়ে ইইউ-এর উপদেশ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই