নদীর নাব্যতা ও জলবায়ু পরিবর্তনে কমছে রুপালি ইলিশ

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম

আষাঢ় বিদায় নিয়ে শ্রাবণ এসেছে। কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে নদ-নদীতে বেড়েছে পানি। চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম। প্রতিবছর এ সময় মেঘনা, পদ্মা, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ, কীর্তনখোলা, পায়রা, বলেশ্বর বিষখালীসহ উপকূলীয় নদ-নদীতে ইলিশের জাল নিয়ে জেলেদের ব্যস্ত থাকার কথা। আড়তগুলোতে মণে মণে ইলিশ ওঠার কথা, বাজারে থাকার কথা রুপালি মাছের ছড়াছড়ি। কিন্তু এবার চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। ভরা মৌসুমেও জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। যে অল্পসংখ্যক মাছ বাজারে আসছে, চড়া দামের কারণে তা সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশের নদ-নদী আর সমুদ্র থেকে কি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ইলিশ?

শুধু চলতি মৌসুমের বাজারচিত্র নয়, সরকারি পরিসংখ্যানেও বিগত কয়েক বছর  ইলিশ উৎপাদন কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল প্রায় ৫ লাখ ৭১ হাজার টন। পরের অর্থবছর তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ২৯ হাজার টনে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন আরও কমে প্রায় ৫ লাখ ৪ হাজার টনে নেমে আসে। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও উৎপাদন ৫ লাখ টনের নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উৎপাদনের পাশাপাশি ইলিশের গড় আকারও ছোট হয়ে আসছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ধরা পড়া ইলিশের গড় দৈর্ঘ্য ছিল ১৪ দশমিক ৬৫ ইঞ্চি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১৩ দশমিক ৩৯ ইঞ্চি। ইলিশ গবেষক ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, একসময় ধরা পড়া ইলিশের গড় ওজন ৪০০ থেকে ৪৫০ গ্রাম থাকলেও এখন তা প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রামে নেমে এসেছে।

বরিশালের পোর্ট রোড মোকামের সাম্প্রতিক চিত্রও সেই সংকটেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। সোমবার ও মঙ্গলবার সেখানে ইলিশের সরবরাহ ছিল খুবই কম। ব্যবসায়ীদের হিসাবে মঙ্গলবার প্রায় ৫০ মণ ইলিশ উঠেছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রামের ইলিশের দাম ছিল প্রায় ২ হাজার ৪০০ টাকা এবং আধা কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ হাজার টাকা কেজি দরে।

মেহেন্দীগঞ্জের মেঘনাবেষ্টিত উলানিয়ার জেলে তোফায়েল হোসেন বলেন, বর্ষা শুরু হয়েছে, নদীতে পানিও বেড়েছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও জালে তেমন ইলিশ মিলছে না। গত এক সপ্তাহে অল্প কিছু ইলিশ পেয়েছেন। এভাবে চলতে থাকলে দাদনের চাপে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা তাঁর।

কালাবদর নদীর টুমচরের জেলে রিয়াজ হোসেন জানান, কয়েক দিনে তিনি দুটি বড় পাঙাশ পেলেও ইলিশ পেয়েছেন অল্প। তাঁর মতে, বড় পাঙাশ আরও পাওয়া গেলে অন্তত ইলিশের ঘাটতির কারণে জেলেদের লোকসান কিছুটা কমতে পারে।

চাঁদপুরেও একই চিত্র। মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার মেঘনা নদীজুড়ে জুলাই মাসে প্রতিবছর ইলিশের উৎসব দেখা যেত। শত শত মাছ ধরার নৌকা, আড়তে মণে মণে ইলিশের বেচাকেনা আর ক্রেতার ভিড়ে মুখর থাকত পুরো এলাকা। এবার সেই চেনা দৃশ্য অনেকটাই অনুপস্থিত।

আমিরাবাদ, ষাটনল ও এখলাসপুরের আড়তে পাইকারি বেচাকেনা শুরু হলেও সরবরাহ কম থাকায় বাজার জমছে না। আমিরাবাদ আড়তের মাছ ব্যবসায়ী মো. সাঈদ হোসেন বলেন, সকাল থেকে আড়তে বসে থাকলেও ইলিশ নেই বললেই চলে। জেলেরা মাছ না পাওয়ায় বাজারও জমছে না।

ষাটনল জেলেপাড়ার জেলে টিটু বর্মণ ও দিলীপ চন্দ্র রায় জানান, আগের মতো নদীতে ইলিশ নেই। সারারাত জাল ফেলেও অনেক সময় একটি মাছও পাওয়া যায় না। নৌকা, জ্বালানি, বরফসহ মাছ ধরার খরচ নিজেদের বহন করতে হয়। মাছ না পাওয়ায় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতেও তাঁরা হিমশিম খাচ্ছেন।

এই সংকটের প্রভাব পড়েছে ক্রেতাদের ওপরও। বরিশালের স্থানীয় ক্রেতা মশিউর দিপু জানান, তিনজন মিলে সাত কেজি ওজনের একটি পাঙাশ কিনেছেন। কেজিপ্রতি প্রায় ৮০০ টাকা পড়েছে। দাম বেশি হলেও স্থানীয় নদীর মাছ হওয়ায় তাঁরা সেটি কিনেছেন। ইলিশের চড়া দামের কারণে এখন অনেক ক্রেতাকেই বিকল্প মাছের দিকে যেতে হচ্ছে।

পটুযাখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্যঘাট

ইলিশের সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মাঠে নেমেছে বিশেষজ্ঞ দল। ২০২৬ সালের ২০ জুলাই চাঁদপুরে পাঁচ সদস্যের একটি দল মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান শুরু করে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জেলের সংখ্যা, সরকারি সহায়তা, বিকল্প কর্মসংস্থান, প্রণোদনা এবং ইলিশ কমে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। পরে মাছঘাটে জেলে, ব্যবসায়ী, আড়তদার ও ক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলে।

আনিসুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে আগের তুলনায় ইলিশের সরবরাহ কম এবং বড় আকারের ইলিশের সংখ্যাও কম দেখা যাচ্ছে। তবে এখনই কোনো একটি কারণকে দায়ী করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। নদীর পানির গুণগত মান, স্রোত, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইলিশের চলাচলের পথসহ বিভিন্ন বিষয় বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা হবে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলমের গবেষণাতেও ইলিশের আকার ছোট হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তার গবেষণা অনুযায়ী, ইলিশের খাদ্যতালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্ল্যাংকটনের পরিমাণ মেঘনা নদীতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গবেষণায় এর অন্যতম কারণ হিসেবে নদীদূষণের কথা উঠে এসেছে। অর্থাৎ নদীর পানির গুণগত পরিবর্তন শুধু ইলিশের প্রজনন নয়, তার খাদ্যপ্রাপ্তি ও বেড়ে ওঠার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মো. মেহেদী আলমের নেতৃত্বে প্রকাশিত সাম্প্রতিক পর্যালোচনা গবেষণাতেও ইলিশ মৎস্যসম্পদের স্থায়িত্ব নিয়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণায় অতিরিক্ত আহরণ, পলি জমা, দূষণ, প্রজননক্ষম মাছ ও জাটকা নির্বিচারে আহরণ, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার, নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া এবং জলবায়ুগত পরিবর্তনকে ইলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গবেষকেরা একই সঙ্গে ইলিশ ব্যবস্থাপনায় আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

ইলিশের সংকটের আরেকটি বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহের পরিবর্তন। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যেও বলা হয়েছে, নদীতে পলি জমা, নাব্যতা কমে যাওয়া, দূষণ এবং বিভিন্ন অবকাঠামোর কারণে ইলিশের পরিভ্রমণ, প্রজনন, বিচরণ ও খাদ্যগ্রহণের ক্ষেত্র পরিবর্তিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুকও ইলিশের স্বাভাবিক বিচরণ ব্যাহত হওয়ার পেছনে অবৈধ কারেন্ট জাল, নদীদূষণ এবং মেঘনায় ডুবোচর সৃষ্টির বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এসব কারণে ইলিশের চলাচল ও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সমুদ্রের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ফিশিং ট্রলারে ইলিশ আহরণ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১২ হাজার ৩৪৯ মেট্রিক টন থাকলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে ১ হাজার ৭৯০ মেট্রিক টনে নেমেছে। এর মধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরেই আহরণ ২ হাজার ৩৬৮ টনে নেমে যায়। এই ধারাবাহিক পতন সমুদ্রে ইলিশের প্রাপ্যতা ও আহরণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের সহকারী পরিচালক মো. ফারহান তাজিমের মতে, ২০২৩ সালের জরিপে একদিকে মা ইলিশের সংখ্যা উদ্বেগজনক অবস্থায় পাওয়া গেলেও অন্য বিশ্লেষণে সমুদ্রের সামগ্রিক ইলিশ স্টককে স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। সে সময় মা ইলিশের মজুত বাড়াতে কতটা আহরণ করা উচিত, তার সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আহরণসীমা যথাযথভাবে অনুসরণ না হলে বড় ও প্রজননক্ষম মাছ কমে যেতে পারে। বড় ইলিশ কমে গেলে ভবিষ্যৎ প্রজননেও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্যাহর মতে, সমুদ্র উপকূল ও মোহনায় পলি জমে চর জেগে ওঠায় ইলিশের বিচরণক্ষেত্র ও প্রজননক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি নদীদূষণও বড় সমস্যা। শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে গিয়ে পদ্মা-মেঘনা হয়ে সমুদ্রে পৌঁছাচ্ছে। এর ফলে প্রজননক্ষেত্রের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ৪০ মিটারের কম গভীর পানিতে বাণিজ্যিক ট্রলিংয়ের বিধিনিষেধ যথাযথভাবে মানা জরুরি, কারণ ওই এলাকায় জাটকা থাকার সম্ভাবনা থাকে।

বরিশালের হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, তার এলাকায় গত দুই বছর ধরে পাঙাশের পোনা ধরার চাঁই ও সুতার তৈরি নাইলন বড়শি উচ্ছেদ করা হয়েছে। নিয়মিত নজরদারির কারণে মেঘনায় পাঙাশের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। এবার বর্ষাতেও বড় পাঙাশ ধরা পড়ছে। সংরক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য ও নদীর জীববৈচিত্র্য আরও বাড়তে পারে বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে বরিশালের জেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ইলিশ নদীতেও কম পাওয়া যাচ্ছে, আবার চড়া দামের কারণে মানুষ কিনেও খেতে পারছে না। কেন ভরা মৌসুমেও ইলিশ কম, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর মতে, বৃষ্টির কারণে এখন কিছু পাঙাশ ধরা পড়লেও সাধারণত নভেম্বরের দিকে এ মাছ বেশি পাওয়া যায়।

ইলিশের এই সংকটকে শুধু জেলেদের অতিরিক্ত মাছ ধরার ফল হিসেবে দেখছেন না গবেষকেরা। বরং নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত ইলিশের পুরো জীবনচক্রের ওপর একসঙ্গে চাপ তৈরি হয়েছে বলে তাদের পর্যবেক্ষণ। নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, পলি ও ডুবোচর, পানির প্রবাহের পরিবর্তন, দূষণ, খাদ্যের প্রাপ্যতা কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন, অবৈধ জাল, জাটকা ও প্রজননক্ষম মাছ আহরণ এবং সমুদ্রে অতিরিক্ত ট্রলিং সবগুলো বিষয়ই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।

কিন্তু ইলিশের ক্ষেত্রে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে কি না, তার উত্তর এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। বরং সাম্প্রতিক উৎপাদন ও আকার কমে যাওয়ার প্রবণতাকে সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখাই যুক্তিযুক্ত। ইলিশের প্রজনন ও বিচরণপথ রক্ষা, নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণ এবং সমুদ্রে নির্ধারিত আহরণসীমা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সবকিছু একসঙ্গে করতে হবে।

কারণ ইলিশ শুধু বাংলাদেশের জাতীয় মাছ নয়; নদী ও সমুদ্রনির্ভর লাখো মানুষের জীবিকা, বাজারব্যবস্থা এবং বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি সম্পদ। তাই ভরা মৌসুমে জেলেদের খালি জাল এবং বাজারে চড়া দামের ইলিশকে কেবল সাময়িক সংকট হিসেবে দেখলে ভুল হতে পারে। নদী ও সমুদ্রের বর্তমান পরিবর্তনের বিজ্ঞানভিত্তিক কারণ এখনই চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে ভবিষ্যতে রুপালি ইলিশের এই সংকট আরও গভীর হতে পারে।

এম.সি.এইচ
আরও পড়ুন