‘অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চালু হচ্ছে না শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল’

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১১ পিএম

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হচ্ছে না। প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রয়োজন পূর্ণ না হওয়ায় এটি সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তবে প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রয়োজন পূর্ণ না হওয়ায় এটি সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোর কার্ডধারী প্যাসেঞ্জারদের গন্তব্য দেশ ব্যতীত অন্যত্র টিকিট কাটার সুযোগ থাকবে না উল্লেখ করে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে বিএমইটির কার্ডধারীদের আর সুযোগ থাকবে না। বাকি সবার জন্য পুরো সিস্টেম খোলা থাকবে। এর উদ্দেশ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের প্রতি হওয়া প্রতারণা বন্ধ করা।

তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালের আইন সীমিত ছিল। আমরা এয়ার অপারেটর, জিডিএস, এনডিসি, ট্রাভেল এজেন্টসহ সব অংশীজনকে যুক্ত করে জবাবদিহিমূলক অবস্থা তৈরি করেছি। দুর্বৃত্ত কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেশন কঠিন করেছি, যাতে কেউ সহজভাবে প্রতারণা করতে না পারে। আমাদের মন্ত্রণালয় দিন-রাত চেষ্টা করছে, শিখছে, বোঝার চেষ্টা করছে এবং অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করছে।

বিমান উপদেষ্টা বলেন, বিমানযাত্রীদের হয়রানি কমাতে এবং বুকিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। এটি নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা ইতোমধ্যে বিধি প্রণয়ন করেছি এবং শিগগিরই তা প্রকাশ ও বাস্তবায়ন শুরু করা হবে।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আমরা বিমান সংস্থাগুলোর টিকিট বিক্রির ওপর নজরদারি ও মান নিয়ন্ত্রণে জোর দিয়েছি। ভুয়া বুকিং শনাক্ত করার জন্য ডিজিটাল অ্যালগরিদম ও ম্যানুয়াল চেক ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২২ লাখ প্যাসেঞ্জার ক্যারি করেছে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট। আমাদের লক্ষ্য যাত্রীদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করা এবং বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা।

FJ
আরও পড়ুন