ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অংশ নেওয়া প্রকৌশলী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে বিএনপি। দলটির মনোনীত ৮ জন প্রকৌশলীর মধ্যে ৬ জনই বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর একমাত্র প্রকৌশলী প্রার্থীও বড় জয় পেয়েছেন। তবে এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং স্বতন্ত্র প্রকৌশলী প্রার্থীরা কোনো আসনেই জয়ের মুখ দেখতে পারেননি।
বিএনপির প্রকৌশলীদের সাফল্য
বিএনপি থেকে বিজয়ী ৬ জন প্রকৌশলী হলেন—ইশরাক হোসেন (ঢাকা-৬), প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল (নরসিংদী-৫), প্রকৌশলী শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২), মইনুল ইসলাম খান শান্ত (মানিকগঞ্জ-২) এবং মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (শেরপুর-২)।
এদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল প্রায় দেড় লাখ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন। নরসিংদী-৫ আসনে প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুলের জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩০ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার করেছে বিএনপি। তবে ঢাকা-১৪ আসনে প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি এবং কুষ্টিয়া-৩ আসনে প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রকৌশলীর জয়
জামায়াতে ইসলামী থেকে একমাত্র প্রকৌশলী প্রার্থী হিসেবে নওগাঁ-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক। তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে হারিয়ে ৬৫ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
পরাজিত অন্যান্য প্রকৌশলী প্রার্থী
নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রকৌশলী প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ ঢাকা-২০ আসনে পরাজিত হন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই প্রকৌশলী প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম (ঢাকা-১৬) এবং মুরাদ হোসেন (ঢাকা-১৩) বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। এছাড়া নোয়াখালী-৬ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়াই করা ইঞ্জিনিয়ার তানভীর উদ্দিন রাজিবও জয়ের দেখা পাননি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে প্রকৌশলী প্রার্থীদের প্রতি ভোটারদের ইতিবাচক সাড়া ছিল চোখে পড়ার মতো, বিশেষ করে বিএনপির শিক্ষিত ও পেশাদার প্রার্থীদের বড় ব্যবধানে জয় সেই ইঙ্গিতই দেয়।
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ কী, কেন এই উদ্যোগ
আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি : আসিফ মাহমুদ
