সংসদ সদস্য না হয়েও ‘টেকনোক্র্যাট’ মন্ত্রী যারা

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় সদস্য সংখ্যা ৪৯। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তবে এই তালিকায় এমন তিনজনের নাম রয়েছে যারা সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) নন। সংবিধানের বিশেষ ক্ষমতাবলে তাদের ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদ সদস্য না হয়েও কীভাবে তারা মন্ত্রী হলেন এবং কারা এই তিন জন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী আসলে কী?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী চাইলে মন্ত্রিসভার মোট সদস্যের অনধিক এক-দশমাংশ (১০ শতাংশ) এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারেন যারা সংসদ সদস্য নন। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংসদ সদস্য হওয়ার মতো সব যোগ্যতা থাকতে হবে। সাধারণত বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বা দক্ষ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে যুক্ত করতে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নতুন মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট সদস্য যারা:

১. হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন (পূর্ণ মন্ত্রী):
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং কুমিল্লা জেলা বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা সাবেক সংসদ সদস্য হলেও এবারের নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করা এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে।

২. ড. খলিলুর রহমান (পূর্ণ মন্ত্রী):
তিনি একজন দক্ষ কূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পররাষ্ট্র ক্যাডারের এই চৌকস কর্মকর্তাকে তাঁর অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

৩. আমিনুল হক (প্রতিমন্ত্রী):
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক এবং মাঠের তারকা আমিনুল হককে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। তবে ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁর অবদান ও জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনা করে তাঁকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে।

FJ
আরও পড়ুন