স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের অগ্রদূত জিয়াউর রহমান

আপডেট : ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং এর রাষ্ট্রীয় ভিত্তি শক্তিশালীকরণে জিয়াউর রহমানের অবিস্মরণীয় অবদান গভীর। শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে যে মানুষটির কণ্ঠস্বর সমগ্র জাতিকে এক কঠিন দিকনির্দেশনা দিয়েছিল, সেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের এক অনন্য দলিল উন্মোচিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী  স্পষ্ট করে বলেন, জিয়াউর রহমান কেবল যুদ্ধের মাঠেই নেতৃত্ব দেননি, বরং যুদ্ধ-পরবর্তী ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত কাঠামোয় দাঁড় করাতে রূপকারের ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আলোচনাসভায় উঠে আসে ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা, যখন দেশের ভবিষ্যৎ ছিল চরম অনিশ্চয়তায় ঘেরা। মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জিয়াউর রহমানের সাহসী ভূমিকা ও ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে মুক্তির আলোর পথ দেখিয়েছিল। পরবর্তীতে যুদ্ধ পরিচালনায় একটি সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত সামরিক কাঠামো গড়ে তোলার পেছনেও তার রণকৌশল অত্যন্ত সহায়ক ছিল।

স্মরণসভার শেষভাগে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

AHA
আরও পড়ুন