ভারত থেকে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে নির্ধারিত সংসদীয় আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সাংসদ মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান।
রোবাবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করে ঢাকা-১৪ আসনের এই সাংসদ জাতীয় সার্বভৌমত্ব, জননিরাপত্তা ও মানবাধিকার সম্পর্কিত একটি বিষয় স্থগিত করার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, চলমান বাজেট অধিবেশনে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে আলোচনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তিনি সাংসদদের আশ্বাস দেন যে শীঘ্রই বিতর্কটির পুনঃনির্ধারণ করা হবে।
ঢাকা-১৪ আসনের সাংসদের দাখিল করা একটি সাধারণ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কার্যবিধির ১৪৭ নং ধারা অনুযায়ী রোববার জাতীয় সংসদে আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবারের অধিবেশনের পর প্রচারিত সংসদীয় কার্যসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও, আজ সকালে জারি করা সংশোধিত কার্যসূচি থেকে এটি বাদ দেওয়া হয়।
রোববারের অধিবেশনের শুরুতে পয়েন্ট অফ অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করে আরমান জানান, তার প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য গৃহীত হয়েছে বলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে এবং এর অনুলিপি ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরে তিনি সংসদীয় মুলতবি শাখা থেকে একটি নোটিশ পান, যেখানে তাকে জানানো হয় যে অনিবার্য কারণে আলোচনাটি স্থগিত করা হয়েছে।
এই আকস্মিক পদক্ষেপের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে সাংসদ জানতে চান, সীমান্তে নাগরিকদের প্রাণহানির চেয়ে কোন বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং ঠিক কবে এই বিতর্কটি পুনঃনির্ধারিত হবে, সে বিষয়ে স্পষ্টীকরণের দাবি জানান।
জবাবে ডেপুটি স্পিকার পুনর্ব্যক্ত করেন যে, এই স্থগিতাদেশ কেবল সাময়িক। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই স্থগিতাদেশ শীঘ্রই তুলে নেওয়া হবে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।
শিবির নেতা জিসান ইস্যুতে সংসদে উত্তেজনা
দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার