ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মূল বক্তব্য দেয়ার আমন্ত্রণ

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম ২০২৭-এ মূল বক্তব্য দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এ আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রস্তাবিত এ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এ বৈঠকে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের বিভিন্ন কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের আওতায় টেকসই অবকাঠামো, ডিজিটালায়ন, জ্বালানি, পরিবহন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ইউরোপীয় কমিশনের রসহসভাপতি এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিবিষয়ক ইইউর উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের কাছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পাঠানো অভিনন্দনপত্রও হস্তান্তর করেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদ্যমান সম্পর্কের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, ব্যবসা, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-ইইউ বিজনেস ফোরাম ২০২৭, সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), উচ্চপর্যায়ের সফর এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জাতিসংঘ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু এবং দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় কমিশনের আয়োজনে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের তৃতীয় আসর ২০২৭ সালের ৮ ও ৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, সরকারি প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বেসরকারি খাতের নেতারা অংশ নেবেন। বৈশ্বিক সংযোগ ও অবকাঠামো বিনিয়োগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৌশলগত উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়াই এ ফোরামের মূল লক্ষ্য।

Attr
আরও পড়ুন