মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, একটি মডেল মসজিদের নির্মাণ ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে ২১ কোটিতে কীভাবে পৌঁছেছে, তা মসজিদভিত্তিকভাবে খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সরকারের অন্যান্য সংস্থার সম্পৃক্ততাও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (নোয়াখালী-২) জয়নুল আবদীন ফারুকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্পূরক প্রশ্নে জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, বিগত সরকারের আমলে মডেল মসজিদ নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে ২১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। তাঁর দাবি, বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও অনেক স্থাপনার নির্মাণমান সন্তোষজনক নয়। তিনি নোয়াখালীর সেনবাগের মডেল মসজিদের উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেখানে ছাদ থেকে পানি পড়ায় মসজিদে প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি এ বিষয়ে তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন প্রকল্পে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় ও লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ‘ইসলামের নামে, মসজিদের নামে যা করা হয়েছে, তা গর্হিত কাজ।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেন, মডেল মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগটি নিজেই একটি ভালো উদ্যোগ ছিল। তাঁর মতে, প্রশ্ন হলো প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন যথাযথ ও যৌক্তিকভাবে হয়েছে কি না।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে সময় ও ব্যয় একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে এবং প্রাক্কলিত ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁর দাবি, অনেক ক্ষেত্রে এই ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই মডেল মসজিদ প্রকল্পে ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে ২১ কোটিতে বৃদ্ধির কারণ, মোট কতটি মসজিদ নির্মিত হয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়া মসজিদভিত্তিকভাবে তদন্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

Attr
আরও পড়ুন