অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে রুমিন ফারহানার বক্তব্য, সংসদে হট্টগোল

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিএনপির সরকারের অতীত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলটির কয়েকজন সদস্য হইচই-হট্টগোল শুরু করে।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বারবার ‘অর্ডার, অর্ডার’ বলে সংসদ সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং রুমিন ফারহানাকে বসতে বলেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে হট্টগোল শুরু হয়।

এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এত অসহিষ্ণু সংসদ। মনে হয় যেন একেবারে আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে যখন বলতাম, তখন তারাও হট্টগোল করত। এখন বিএনপিরা একই ধরনের আচরণ করছে। আরও খারাপ আচরণ, বরং বলি।’

রুমিনের এই বক্তব্যের পর সংসদে হট্টগোল আরও বেড়ে যায়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তাকে বক্তব্য শেষ করে বসার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে অন্য সদস্যদেরও শান্ত থাকার নির্দেশ দেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রেজারি বেঞ্চের চিফ হুইপ সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, একজন সংসদ সদস্য বক্তব্য রাখছেন এবং তার কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। অন্য সদস্যরা তার বক্তব্যে বাধা দিলে তা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির বাইরে চলে যায়।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘প্রত্যেক সংসদ সদস্যের এখানে বক্তব্য উপস্থাপনের স্বাধীনতা আছে। আপনাদের পালা যখন আসে, তখন আপনারা সেটা খণ্ডন করবেন। কিন্তু বক্তব্য প্রদানে বাধা প্রদান করা কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়।’

এরপরও কিছু সময় সংসদে হইচই চলতে থাকে। স্পিকার রুমিন ফারহানাসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বসার অনুরোধ করেন।

একপর্যায়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘আমি আমার রুলিং দিয়ে দিয়েছি। আপনারা দুজনই আসনে বসুন।’

পরে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান স্পিকার। তখনও সংসদে হট্টগোল চলছিল। স্পিকার তাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ করেন।

AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত